1. alinahmed1221@gmail.com : alin ahmed : alin ahmed
  2. azizpekua6@gmail.com : Azizul Hoque : Azizul Hoque
  3. priyobartadesh@gmail.com : journalistshoaib :
  4. smmahfuj204@gmail.com : Mohammad mahfujur Rahman : Mohammad mahfujur Rahman
  5. shamimullahadil2012@gmail.com : Shamim Ullah Adil : Shamim Ullah Adil
বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার পুত্র শ্রমিক হত্যা মামলার আসামি! | প্রিয় বার্তাদেশ
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:২৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
ডিসিএ এগ্রো খামারে সাধারণ কর্মচারি পদে (এক জন) নিয়োগ চলছে , আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৪ ০৬৪৯৭১ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে - আগ্রহীরা জীবন বৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন আমাদের এই ঠিকানায় correspondent@priyobartadesh.com আপনার প্রতিষ্টানের বিজ্ঞাপন কম টাকায়  দিতে আজকেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ০১৮১৫৬১৫৩৫৫ ( সম্পাদক )   প্রিয় বার্তদেশ পত্রিকার প্রিন্ট কপি বের হচ্ছে , শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন আবশ্যক আমাদের সংবাদ মেসেজে পেতে মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন start <space> priyobd লিখে পাঠিয়ে দিন 21213 এই নাম্বারে **শুধুমাত্র রবি আর এয়ারটেল নাম্বার থেকে আমাদের মোবাইল এ্যাপ গুগলে পাওয়া যাচ্ছে  সার্চ করুন priyobd 

বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার পুত্র শ্রমিক হত্যা মামলার আসামি!

সংবাদ দাতা
  • প্রকাশিত সোমবার, ৩ মে, ২০২১

বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম জমিদাতার সন্তান দুবাই প্রবাসী আবুল কালামকে শ্রমিক হত্যাকান্ড ঘটনার আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অথচ আবুল কালাম ১৬ বছর ধরে দুবাই প্রবাসী। গন্ডামারা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড়ের বিশিষ্ট দানবীর ও জমিদার হাজী আহমদ কবিরের তৃতীয় পুত্র মোহাম্মদ আবুল কালামকে গত ১৮ এপ্রিল প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ৬ নং আসামি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, আবুল কালাম ২০০৪ সাল থেকে দুবাই প্রবাসী এবং গত ১০ বছর ধরে তিনি গন্ডামারা এলাকায় থাকেন না। তিনি বাঁশখালী পৌর শহরের জলদীতে স্থায়ী বাড়ি করে সেখানেই বসবাস করেন।

আবুল কালাম জানান, বর্তমানে এলাকার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। কিন্তু আমাকে মামলায় ৬ নং আসামি করা হয়েছে। অথচ কেউ যখন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মাণের জন্য জায়গা দেয়নি তখন আমরাই প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েছি। যখন সবাই প্রকল্পের বিরোধিতা করেছে তখন আমরা প্রকল্পের পক্ষে ছিলাম। আমার বাবা হাজী আহমদ কবির ও আমার নানা শশুর গন্ডামারা ইউনিয়নের প্রভাবশালী জমিদার হাজী মোনাফ সিকদারই প্রথম জমি দিয়েছেন। বর্তমানে কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্লান্ট আমাদের জমির উপর নির্মাণ হচ্ছে। কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আমাদের পরিবারের কেউ চাকরি বা ব্যবসা কোনটি করেনা। আমি নিজেই পরিবারসহ দেশের বাইরে থাকি। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় একটা গ্রুপ যাদের সাথে আমার জায়গা জমির বিরোধ রয়েছে তাদের ষড়যন্ত্রেই আমাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। অথচ আমি পরিবারের চিকিৎসার জন্য তিন মাসের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি। তিনি অবিলম্বে তদন্ত পুর্বক তাকে মামলা থেকে রেহায় দেয়ার দাবী জানান। বাঁশখালী থানার ওসি শফিউল কবীর জানান, মামলাটি তদন্ত চলছে। তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার নাম মামলা থেকে বাদ যাবে। নিরীহ কাউকেই পুলিশ হয়রানি করবে না বলেও জানান ওসি শফিউল কবীর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

এই পোর্টালটি  © ২০২১ প্রিয় বার্তাদেশ কতৃক সংরক্ষিত ।

 
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
error: সংবাদগুলো কপিরাইটের আওতাধীন